আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর জীবনী। Alfamito Blog

উপমহাদেশের সুনামধন্য মুহাদ্দিস "মুহাদ্দ্দিসুল আসর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরী রহ" যিনি পাকিস্তানের বেফাকুল মাদারিসের সহ-সভাপতি ছিলেন। পূর্ণ লেখাটিতে তার জীবনের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর জীবনী

আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর জীবনী

প্রশ্ন উত্তর
নাম আল্লামা ইউসুফ
উপাধি মুহাদ্দ্দিসুল আসর
পিতা সাইয়েদ যাকারিয়া বাদশাহ
জন্ম ১৩২৬ হিজরি মোতাবেক ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দ
মৃত্যু ১৯৭৭ সালের ১৩ ই অক্টোবর

বংশীয় পটভূমি

মুহাদ্দিসুল আসর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরী রহ.-এর বংশীয় সম্পর্ক হযরত সাইয়েদ আদম বানুরী রহ.-এর সঙ্গে——যিনি ইমামে রব্বানি মুজাদ্দিদে আলফেসানি রহ.-এর আজাল্লে খলিফা ছিলেন এবং সিলসিলায়ে আলীয়া নকশে বন্দিয়ার মশহুর ও মহান মর্যাদাসম্পন্ন শায়খ ছিলেন। তাঁর জন্মস্থান ছিল বানুর। বানুর জেলা আমবালা পাটিয়ালা প্রদেশে সেরহিন্দের নিকটবর্তী একটি গ্রামের নাম। সে সুবাদেই হযরত সাইয়েদ আদম বানুরী রহ.-এর সন্তানদের বানুরী বলা হয়। বানুরী খানদানের কিছু লোক শিখদের অত্যাচারে সীমান্তে এসে বসবাস শুরু করেন। এখনও তারা পেশোয়ার, ঘড়ি মির, আহমদ শাহ, ভানা, মাড়ি এবং কোহাটের বাসিন্দা।

আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর পিতামাতা

হযরত শায়খ বানুরী রহ. উভয় দিক থেকে সম্ভ্রান্ত এবং সাইয়েদ ছিলেন। তাঁর পিতা সাইয়েদ যাকারিয়া বাদশাহ, সাহেবে হাল বুযুর্গ, বিজ্ঞ আলেমে দীন, অভিজ্ঞ ডাক্তার এবং স্বপ্নের তাবিরের ইমাম ছিলেন। তিনি আরবি ও উর্দু ভাষায় বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। সেগুলোর মধ্যে কিছু প্রকাশিত হয়েছে আর কিছু অপ্রকাশিত। হযরত শায়খ বানুরী রহ.-এর মুহতারামা আম্মা কাবুলের মুহাম্মদ যায়ি নামক শাহি খানদানের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। যিনি তাঁর জন্মের কিছু দিন পরে ইনতিকাল করেন।

জন্ম

১৩২৬ হিজরি মোতাবেক ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দে মরদান জেলার একটি ছোটো গ্রাম মাহাবাত আবাদে মুহাদ্দিসুল আসর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরী রহ. জন্মগ্রহণ করেন।

লালনপালন ও দীক্ষার আঁচল

মুহাদ্দিসুল আসর বানুরী রহ. যে পরিবেশ ও ঘরানায় চোখ মেলেছেন, তা এক ইলমী, দীনী এবং রুহানী ঘরানা ও পরিবেশ ছিল। হযরতের পরদাদা মির আহমদ শাহ অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন বুযুর্গ ছিলেন। তাঁর মহল্লায় শুধু সে ব্যক্তিরই বসবাসের অনুমতি ছিল, যে নামাযের পাবন্দ। হযরতের দানি সাইয়েদা ফাতেমা ওলিয়া ছিলেন। হযরত রহ. প্রায়ই তাঁর ঘটনাবলি শোনাতেন। তিনি বলতেন, দোয়ার রুচি আমি দাদির কাছ থেকে লাভ করেছি। খুব অল্প বয়সেই আমি জফরে জলিল শরহে হিসনে হাসিন পড়ে শেষ করেছিলাম। সেই কিতাব থেকে দোয়াসমূহও মুখস্থ করেছি এবং উর্দুও শিখেছি ।

মুহাদ্দিসুল আসর হযরত শায়খ বানুরী রহ.-এর ফুফি সাইয়েদা মারয়াম রহ.- ও কারামতসম্পন্ন ওলিয়া ছিলেন। তার নিকট হযরত মারয়াম আলাইহিস সালামের মতো মওসুমবিহীন ফল আসত। এমন আবেদা ও নেককার নারী ছিলেন যে, তিনি ওজু অবস্থায় সুরা ইয়াসিন পড়তে পড়তে চরকায় সুতা কেটে তার কাপড় বানিয়ে নিজের কাফনের জন্য রেখে দিয়ে ছিলেন। পরবর্তী সময়ে মুহাদ্দিসুল আসর শায়খ বানুরী রহ.-এর পিতা মাওলানা সাইয়েদ যাকারিয়া রহ. দরবেশি অবস্থায় কোথাও চলে গেলেন যখন ঘরে কিছুই ছিল না, তখন সেই আবেদা মহিলা উক্ত কাপড় দ্বারা হযরত রহ.-এর জন্য ঈদের পোশাক বানিয়ে দিয়ে ছিলেন। যদি লালনপালন ও দীক্ষার আঁচল এমন নেক ও পরহেজগার লোকদের হয়, তা হলে সেই আঁচলে লালিত শিশু মুহাদ্দিসুল আসর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরী রহ. কেন হবে না?

প্রাথমিক শিক্ষা

মুহাদ্দিসুল আসর শায়খ বানুরী রহ.-এর সব সময়ের সঙ্গী, অকৃত্রিম বন্ধু এবং একনিষ্ঠ সহপাঠী হযরত মাওলানা লুতফুল্লাহ পেশোয়ারি বর্ণনা করেন, হযরত মুহাদ্দিসুল আসর অধিকাংশ সময় নির্জনে আমাকে বলতেন, ‘বাল্যকালে আব্বাজান আমার শিক্ষার প্রতি মনোযোগ দেননি।' কিন্তু আল্লাহপাক এ মনি- মুক্তাকে মালা বানাবার জন্য নিজেই এমন ব্যবস্থা করেছেন যে, দেখতে দেখতেই তিনি মুহাদ্দিসে কাবির হযরত মাওলানা আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী রহ.-এর উলুমের উত্তরাধিকারী ও ধারকবাহক হয়ে গেছেন। 

মুহাদ্দিসুল আসর শায়খ বানুরী রহ. আত্মজীবনীমূলক রচনায় নিজের প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে লেখেন, কুরআনে কারিম মুহতারাম আব্বাজান ও মামার কাছে পড়েছি। আমির হাবিবুল্লাহ খানের আমলে জাগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের এক মক্তবে ইলমে সরফ ও নাহুর প্রাথমিক কিতাবাদি পাঠ করেছি। সে- সময়ের বিখ্যাত উসতাদ হলেন শায়খ হাফেজ আবদুল্লাহ ইবনে খায়রুল্লাহ পেশোয়ারি শহিদ (১৩৪০ হিজরি)। এ ছাড়া ফিকহ, উসুলে ফিকহ, মানতেক, মায়ানি ইত্যাদি নানা শাস্ত্রের মাধ্যমিক পর্যায়ের কিতাবাদি পেশোয়ার ও কাবুলের উসতাদগণের নিকট পড়েছি।

অধ্যয়নরুচি

মুহাদ্দিসুল আসর শায়খ বানুরী রহ. বলতেন, আমি আমার শক্তি মাসায়েল বের করা এবং মাসায়েল সম্পর্কে অবগত হওয়ার পেছনে পরিপূর্ণভাবে ব্যয় করেছি। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা এবং সম্ভাব্য অসম্ভাব্য স্থানসমূহ থেকে মাসআলা বের করার ক্ষেত্রে কখনও কসুর করিনি। কখনও আমি এক মাসআলার অনুসন্ধানে শুধু ঘন্টাই নয়, বরং কয়েক রাত এবং দিন কাটিয়ে দিতাম। যখন আমার হারানো কাঙ্ক্ষিত বস্তু পেয়ে যেতাম, তখন আমার আনন্দের কোনো সীমা থাকত না। শায়খ দরসের মাঝে যেসকল কিতাবের হাওলা নিতেন, সেগুলো থেকে মাসআলা বের করাকে আমি আবশ্যক করে নিয়েছি। কাজেই কিতাবুস সিবওয়াইহ, রাযি শরহে কাফিয়া, দালায়েলুল ইজায, আসরারুল বালাগাত, উরুসুল আফরাহ ও কাশফুল আসরার দেখতে বাধ্য ছিলাম।

এমনিভাবে শুরুহে হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ কিতাবসমূহ ফাতহুল বারি, উমদাতুলতুল কারি, শরহে মুহাযযাব, মুগনি লি ইবনে কুদামা এবং রিজালশাস্ত্রের কিতাবাদি পড়তে বাধ্য ছিলাম। যদি যৌবনে অনুরাগ আসক্তি না থাকত এবং কুদরতের পক্ষ থেকে তাহকিক-গবেষণা ও বিশ্লেষণের আগ্রহ ও স্পৃহা কম হতো, তাহলে আজ আমি- এ পর্যায়ে পৌঁছতে পারতাম না। হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ কিতাবসমূহের মধ্য থেকে কোনো কিতাবের শরাহ আমার জন্য যেকোনো কঠিন কাজ থেকে অনেক সহজ ছিল।"

মুতালাআর আগ্রহ

একদিন দরসে বুখারীতে বলেছেন, যখন হিদায়া পড়তাম, তখন কাদির, আল বাহরুর রায়েক এবং বাদায়ে—এ তিন কিতাবের দুই সবকের কাছাকাছি মুতালাআ করে নিতাম। আর আমার মুতালাআ সব সময় উসতাদের সবকের আগে থাকত। অতঃপর মিশকাত শরিফের বছর বিদায়াতু মুজতাহিদ এবং হজ্জাতুল্লাহিল বালেগাহ মুতালাআ করতাম। ভাভেলে আমার হযরত শাহ সাহেব রহ.-এর খেদমত নসিব হয়েছে। হযরতের কাছে চার মাযহাবের কিতাবাদি ছিল। সেখানে আমি ইমাম শাফেয়ি রহ.-এর কিতাবুল উম্ম, আল-মুগনি এবং আল-মাজমু শরহে মুহাযযাব ইত্যাদি কিতাব মুতালাআ করেছি। যার ফলে আমার মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয় এবং তার মাযহাবের প্রায় সকল প্রচলিত কিতাবাদি আমি মুতলাআ করে ফেলি। আল্লাহর শোকর, তোমাদের মধ্যে মুতালাআর আগ্রহ পয়দা করার জন্য এগুলো শোনাচ্ছি।"

আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর শিক্ষাজীবন

মুহাদ্দিসুল আসর শায়খ বানুরী রহ. ১৩৪৫ হিজরি থেকে নিয়ে ১৩৪৭ হিজরি পর্যন্ত দারুল উলুম দেওবন্দের ছাত্র ছিলেন। কিন্তু যখন দারুল উলুম দেওবন্দে মতানৈক্য দেখা দিল এবং মুহাদ্দিসে কাবির হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী রহ., হযরত মাওলানা শাব্বির আহমদ উসমানী এবং আরও কয়েকজন বড়ো বড়ো আলেম দারুল উলুম দেওবন্দ ছেড়ে ডাভেলে স্থানান্তরিত হলেন; তখন হযরত শায়খ বানুরী রহ. ও স্বীয় মুহসিন ও মুরব্বি এবং শফীক উসতাদ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী রহ.-এর মহব্বত ভালোবাসা এবং আনুগত্য ও ইশকের কারণে তাঁর সঙ্গে ডাভেলে চলে যান এবং জামিয়া ইসলামিয়া ডাভেল থেকেই ফারেগ হন। 

কাব্য ও সাহিত্যরুচি

মুহাদ্দিসে কাবির হযরত মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ বানুরী রহ. যেমন দীনী,

ফিকহি, ইলমী ও আমলী সকল ময়দানে ইমামুল আসর হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আনওয়ার শাহ কাশ্মিরী রহ.-এর যোগ্য স্থলাভিষিক্ত ছিলেন তেমনিভাবে তিনি একজন মহান মুহাদ্দিস, ফকিহ, মুবাল্লিগ, সফল মুদাররিস, ইমাম, খতিব ও দূরদর্শী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হওয়ার সাথে সাথে নির্মল ও পরিচ্ছন্ন কাব্যরুচিরও অধিকারী ছিলেন। আমার আকাবির উসতাদগণের মুখে একাধিকবার একথা শুনেছি যে, কাব্য ও সাহিত্যরুচি মহান আল্লাহ তায়ালার মহান দান এবং শাণিত হাতিয়ার যা দ্বারা সমাজে বিপ্লব সাধন করা যায়। 

সাহিত্যরুচি

হযরত শায়খ বানুরী রহ.-ও সাহিত্যরুচি ও বাগ্মিতায় পারদর্শী ছিলেন। উর্দু, ফারসি এবং আরবি সাহিত্যের উঁচু মাপের কবিদের কাব্য খুব ইয়াদ ছিল। এমন স্থান ও পাত্র উপযোগী শের শোনাতেন যে, শ্রোতারা মনে করত এ স্থানের জন্যই তা বলা হয়েছিল। নিজেই কবিতা বলতেন, যাতে জলপ্রপাতের মতো প্রবাহ থাকত । তাঁর আরবি কবিতার ভাষা ও বর্ণনাভঙ্গি আরব কবিদের কবিতার মোকাবেলায় রাখা যেতে পারত। লম্বা লম্বা আরবি কাসিদা নির্দ্বিধায় অনর্গল বলতে পারতেন ।

আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর উস্তাদবৃন্দ

নিচে আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. এর প্রসিদ্ধ কয়েকজন উসতাদের সংক্ষিপ্ত আলোচনা পেশ করছি।

মাওলানা মুহাম্মদ আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী রহ.

আনোয়ার শাহ কাশ্মীরে রহমতুল্লাহি তার বিশেষ এবং সবচেয়ে বড় শায়েখ ছিলেন। ইউসুফ বিন্নুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তার একনিষ্ঠ আশেক ছিলেন তার এক একটা ভঙ্গি তিনি নিজের মধ্যে ধারণ করেছেন যেন তিনি হযরত কাশ্মীরে রহমতুল্লাহি আলাইহি এর উজ্জল প্রতিচ্ছবি।

এ ছাড়াও আরো রয়েছেন,

  • হযরত মাওলানা গোলাম রসুল খান সাহেব রহ.
  • হযরত মাওলানা ইদ্রিস কান্ধলবি রহমাতুল্লাহি আলাইহি 
  • হযরত মাওলানা মুফতি আজিজুর রহমান রহ.
  • হযরত মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ শফী দেওবন্দী রহ. 
  • হযরত মাওলানা আব্দুর রহমান আমরোহবি রহ.।

পবিত্রতা ও নিষ্কলুষতা

মাওলানা সুতফুল্লাহ পেশোয়ারি রহ., মুহাদ্দিসূল আসর শায়খ বানুরী রহ.-এর দারুল উলুম দেওবন্দের ছাত্র যমানার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে লেখেন, আমরা উভয়ে দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হলাম । উভয়েই ছাণ্ডা মসজিদের হুজরায় থাকতাম। আমাদের বয়স হায় এক ছিল। কিন্তু তাঁর নির্মল চরিত্র, লজ্জা ও সহনশীলতা এবং দৃঢ়তা ও গভীর্য আমাকে খুব প্রভাবিত করেছে। সেই যৌবনের প্রারয়েও তাঁর থেকে গাম্ভীর্য পরিপন্থী কোনো কাজ প্রকাশ পেয়েছে কিনা আমার স্মরণ নেই।

স্বয়ং মুহাদ্দিসুল আসর শারদ বানুরী রহ. ও ছাত্র যমানার কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যে শোনাতেন যে, কীভাবে প্রাথমিক শিক্ষায় তাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। মামুলি সরক নেওয়ার জন্য নিজের বস্তি থেকে বেশ দূরে যেতে হতো। শীতকালে ভোর থাকতেই সবুজ চা এবং মিকায়ি-এর রুটি যারা নাশতা করে এত দূর যেতে হতো যে, যখন ফিরে আসতাম তখন রুটি হজম হয়ে যেত।

ইন্তেকাল

আল্লামা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. ১৯৭৭ সালের ১৩ ই অক্টোবরে ইন্তেকাল করেন। ইসলামী মুশওয়ারতী কাউন্সিলের সভা ইসলামাবাদে বক্তব্য চলাকালে। তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে তাই তাকে হাসপাতাল, রাওয়ালপিন্ডিতে তৎক্ষণাৎ নিয়ে যাওয়া হয়।

 আর সেখানেই তিনি হাসপাতালের বেডে কালিমা পড়তে পড়তে ইন্তেকাল করেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url